অধ্যক্ষের বাণী



    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ১০০% ভাগ শিক্ষিত একটি জনগোষ্ঠী তৈরির বিকল্প নেই। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন  করতে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ৪র্থ বারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। সাক্ষরতার হার দেশে ইতোমধ্যেই ৭০% ভাগ ছাড়িয়ে গেছে। এখন পরিকল্পনা রয়েছে মানসম্পন্ন শিক্ষা। মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষা এ ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্ব বহন করে। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন দেশে বলবৎ রয়েছে। তাই উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে একটি উপার্জনক্ষম, নৈতিকতা সমৃদ্ধ, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে সক্ষম একটি যুব সমাজ এ জন্যে অপরিহার্য। ২০১০ সালের শিক্ষানীতি সংসদে অনুমোদিত হয়েছে। যাতে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে। পাশাপাশি SDG  এবং MDG বিবেচনায় নিতে হবে।

০১ জুলাই ১৯৬৯ খ্রি. প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯ আগস্ট ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে জাতীয়করণকৃত মাত্র ০.৭২ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ এ ক্ষেত্রে একটি অগ্রনী ভূমিকা পালন করে চলেছে। প্রায় ১০,০০০ (দশ হাজার) শিক্ষার্থী এ কলেজে অধ্যয়নরত। ১৪ (চৌদ্দ) টি বিষয়ে এখানে অনার্স পর্যায়ে পাঠদান করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফলে বিভিন্ন বছর এখান থেকে শীর্ষ মেধার স্বীকৃতি অর্জন করে থাকে। উপরন্তু, যশোর শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলেও এ কলেজের শিক্ষার্থীদের সাফল্য অত্যন্ত সন্তোষজনক।

     শহরকেন্দ্রে অবস্থিত ক্যাম্পাসটি ছোট হলেও এর পরিচিতি ব্যাপক। এ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশে বিদেশে ছড়িয়ে রয়েছে এবং অনেক গুণীজন এই বিদ্যায়তনটির ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। ভবিষ্যতেও আমাদের মানুষ গড়ার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। প্রতিষ্ঠানটির উওরোত্তর সমৃদ্ধি অর্জনে যেন ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারি- এজন্যে সবার দোয়া প্রার্থনা করছি।

 

প্রফেসর অভিজীৎ বসু

অধ্যক্ষ

সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ, খুলনা।